ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংগঠন হিসেবে নিজস্ব অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও নিবন্ধিত অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাব। ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, সহজ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অফিস কক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমানের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়েবসাইট ও অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমের উদ্বোধন করা হয়।
নতুন এ ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্লাবের মাসিক চাঁদা প্রদান, সদস্যপদ গ্রহণ ও নবায়ন, বিভিন্ন কর্মশালা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ফি অনলাইনে পরিশোধ করা যাবে। বিশেষ করে ক্লাব আয়োজিত সায়েন্স ফেস্টিভ্যালের বিভিন্ন কার্যক্রমের অর্থও এ পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে সহজে পরিশোধের সুযোগ থাকবে। ফলে দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে শিক্ষার্থী ও সদস্যরা প্রয়োজনীয় অর্থ পরিশোধ ও নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জানান ক্লাবের সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি জুনাইদুল মোস্তফা উপাচার্যের সামনে ক্লাবের নিজস্ব ওয়েবসাইটের বিভিন্ন বিভাগ, ফিচার, তথ্য ও কার্যপ্রণালী বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। একই সঙ্গে নিবন্ধিত অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমের কার্যপ্রণালী এবং এর মাধ্যমে সদস্যপদ, মাসিক চাঁদা, বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সায়েন্স ফেস্টিভ্যালসহ অন্যান্য কার্যক্রমের ফি পরিশোধের প্রক্রিয়াও তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সায়েন্স ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, উপদেষ্টা ড. মো. মিনহাজ উল হক, সভাপতি জুনাইদুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার হোসেন সাকিব, মিডিয়া সেক্রেটারি শুভ্রত কুমার, জয়েন্ট সেক্রেটারি মিশনু আল আসনাওয়ি, জয়েন্ট কমিউনিকেশন সেক্রেটারি নওরিন ফাতেমা তোয়াসহ ক্লাবের অন্যান্য কার্যনির্বাহী সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সায়েন্স ক্লাবের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। তিনি ক্লাবের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও সহজলভ্য করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এসময় উপাচার্য জাপানের সঙ্গে 2+2 শিক্ষা কার্যক্রম, চীনের সঙ্গে শিক্ষা ও একাডেমিক সহযোগিতা এবং BRAC-এর সঙ্গে Career Hub প্রতিষ্ঠার উদ্যোগসহ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।