বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ‘আ.লীগের প্রেতাত্মা’ বলা যুবদল নেতাকে শোকজ ফ্যাসিবাদী সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছিল: সংস্কৃতি মন্ত্রী বিশ্বকাপ চলাকালে ঢাবিতে নিরাপত্তা জোরদার, বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে জুলাইয়ে সুখবরের আশা : প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বেইজিংয়ে পৌঁছে লাল গালিচা সংবর্ধনা পেলেন প্রধানমন্ত্রী স্থগিত হতে পারে ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড ম্যাচ! পে-স্কেল বাস্তবায়নে যে ৫ সিদ্ধান্ত নিল সচিব কমিটি প্রবাসীদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ অ্যাকাউন্ট সুবিধা কোয়ার্টারে দেখা হতে পারে ব্রাজিল-জার্মানির! শিক্ষকদের ৫ মাসের বকেয়ার টাকা নিয়ে সুখবর দিল মাউশি

ফ্যাসিবাদী সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছিল: সংস্কৃতি মন্ত্রী

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন সাংবিধানিক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছিল, যার ফলে গণতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

বুধবার (২৪ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘রবীন্দ্র-নজরুল উৎসব: সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতির মিলনমেলা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন এক সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, যখন দেশের শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক খাত নানা সংকট ও অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলীর ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় বিকৃতি ঘটানো হয়েছিল এবং সঠিক ইতিহাস উপস্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় আত্মপরিচয়কে সুদৃঢ় করা প্রয়োজন।

কাজী নজরুল ইসলাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার বিদ্রোহী চেতনা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং মানবিক দর্শন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অনন্য স্থান তৈরি করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নজরুলের প্রতিভা ও ব্যক্তিত্বের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও স্নেহ পোষণ করতেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে মন্ত্রী বলেন, তিনি ছিলেন বিশ্বমানবতাবোধসম্পন্ন কবি, যিনি তার সাহিত্য ও দর্শনের মাধ্যমে মানবিক মূল্যবোধ ও সমাজের কল্যাণচিন্তা তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে রাষ্ট্রের অন্যতম শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার সব নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তাহমিনা আখতার, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম এবং জবি ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্দীন বলেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলকে কেন্দ্র করে এই ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ করবে এবং জাতীয় সাংস্কৃতিক চেতনা সমৃদ্ধ করবে।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহমিনা আখতার বলেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল দুজনই সমাজ, মানবতা ও সংস্কৃতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছেন এবং তাদের চিন্তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতিমান শিল্পী ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক দল অংশ নেয়।

দুই দিনব্যাপী এই উৎসবের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) নজরুল পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102