রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন

সব সরকারি অফিসের জন্য জরুরি নির্দেশনা

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষে গত ৩ মে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছে। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের লক্ষ্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসন পর্যন্ত ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, উপজেলা প্রশাসনসহ দেশের প্রায় সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

কার্যবিবরণী বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে স্মারক পাঠানো হয়েছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, তথ্য অধিদপ্তর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরকে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন আলোচনাসভা, স্মৃতিচারণা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও কার্যবিবরণীতে নির্দেশনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মাঠ প্রশাসনের অংশ হিসেবে দেশের সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছেও কার্যবিবরণী পাঠানো হয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও দিবসটি উদযাপনের জন্য সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দিবসটি উদযাপনের প্রস্তুতির সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবহন, ধর্ম, সমাজকল্যাণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মহিলা ও শিশুবিষয়ক, প্রবাসী কল্যাণ, পরিবেশ, বাণিজ্য এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

এতে জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন খাতভিত্তিক বিশেষ আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এদিকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ স্কাউটস, বিএনসিসি এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদকেও কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে। সরকারি সূত্রগুলো বলছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসকে জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে সারা দেশে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি আয়োজন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা, আলোচনাসভা, দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠান এবং গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দিবসটির গুরুত্ব জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102