রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশু জবাই ও নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে গরুর গুতো এবং ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন অন্তত ৮০ জন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আহতরা ঢামেকে আসেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই গরুর গুতোয় আহত হয়েছেন। এছাড়া পশু জবাইয়ের সময় ছুরিকাঘাতের ঘটনাও ঘটেছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন— ফারুক মোল্লা (৫০), আনিছ (৩০), শাহের আলী (৫০), জাহিদ (৪২), হারুন (৪০), তৌহিদ (২৫), রাহাত (২৩), করিম সিকদার (৪২), বেলাল হোসেন (৪০), জুয়েল (৩৮), আবু কালাম (৪৭), হাফিজুর রহমান (২০), আরজু হোসেন (১৯), তৌহিদ ইসলাম (২০), ইব্রাহিম (২৫), ইহছাক (২৮), আইউব আলী (৫৫), তারিকুল হাওলাদার (২৮), মামুন (২৬), সিহাব (২১), এনায়েত শেখ (৭০), আব্দুল কদ্দুছ (৫৪), নূর মোহাম্মদ (২৩), রাসেল (২১), নাসির হোসেন (২৮), বেল্লাল হাওলাদার (৫০), নয়ন (১৮), ইউসুফ ব্যাপারী (৫০), নবী হোসেন (৫০), আ. রহমান জুয়েল (৪০), শাহিন (২৪), সাদ্দাম (৩০), শামিম (৬২), বিজয় (২৫), শুভ (২৬), দুলাল (৪২), তৌহির (২৩), আকাশ (২২), আনোয়ার (৫২), রকিব (২৪), আইনুল (১৭), জাহিদ (২৫), মুজাহিদ (২১), জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), মোজাম্মেল আশরাফ (৩৮), ফরহাদ শেখ (২১), কালাম (৩৪), আলী মিয়া (৬০), রাসেল (৩৩), বশার (৫৫), আব্দুস সামাদ (৬০), মিজানুর রহমান (৬০), রাব্বি (২২), সেলিম (৪৩), সাকিল (২৮), ইয়াসিন (৪১), জাহেদ ব্যাপারী (৬০), মির্জা (৪০), আ. রশিদ (৪৮) ও মোতালেব (৫৪)।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত গরুর গুতো ও ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে প্রায় ৮০ জন ঢামেকে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
দায়িত্বরত চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, আহতদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কেউ চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন, আবার কয়েকজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। গুরুতর আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হতে পারে।