ঝড়ের প্রভাবে যুক্তরাজ্যের বিমান সংস্থা স্কাইবাস আগামী জুন পর্যন্ত এক্সেটার থেকে সেন্ট মেরিস রুটে তাদের সব ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য ল্যান্ডস এন্ড বিমানবন্দর অথবা নিউকোয় থেকে বিকল্প উড়ানে আসন সংরক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ভাড়ার পার্থক্য থাকলে তা ফেরত দেওয়া হবে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ৪ জুন পর্যন্ত এক্সেটার ও সেন্ট মেরিস রুটে তাদের উড়ান চলাচল বন্ধ থাকবে। চলতি বছরের গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের ঝঞ্ঝাপূর্ণ সূচনার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্কাইবাসের তথ্যমতে, গত ৮ জানুয়ারি স্টর্ম গোরেটির সময় ল্যান্ডস এন্ড বিমানবন্দরে তাদের হ্যাঙ্গার এবং একটি টুইন অটার উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম দুই মাস পিছিয়ে মে মাস পর্যন্ত গড়ায়।
সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোনাথন হিঙ্কলস বলেন, রক্ষণাবেক্ষণে বিলম্বের কারণে উড়োজাহাজের সংকট তৈরি হয় এবং পাইলট প্রশিক্ষণও স্থগিত রাখতে হয়, যা সেবার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলেছে।
তিনি আরও জানান, সাময়িক স্থগিতাদেশ শেষ হলে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের বাকি সময় উড়ান স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য ল্যান্ডস এন্ড বিমানবন্দর অথবা নিউকোয় থেকে বিকল্প উড়ানে আসন সংরক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ভাড়ার পার্থক্য থাকলে তা ফেরত দেওয়া হবে।
এ ছাড়া, যারা এক্সেটারের পরিবর্তে ল্যান্ডস এন্ড থেকে যাত্রা করবেন, তাদের জন্য বিনামূল্যে গাড়ি পার্কিং সুবিধাও দেওয়া হবে।
জোনাথন হিঙ্কলস বলেন, ‘আমরা আশা করছি, এই অস্থায়ী পরিবর্তনের মাধ্যমে স্কাইবাস পরিচালনায় আরও স্থিতিশীলতা আসবে। ৪ জুন থেকে আবার এক্সেটার রুট চালু করতে আমরা মুখিয়ে আছি। একই সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের এই অনাকাঙ্ক্ষিত শুরুর জন্য আমরা আবারও ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং যাত্রীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
এর আগে গত মাসেও বিমান সংস্থাটি নিউকোয় ও লন্ডন গ্যাটউইক বিমানবন্দর রুটের উড়ান বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, উপসাগরীয় যুদ্ধ-পরবর্তী জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং বুকিং কমে যাওয়ায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।