আগমী ২০ মে দেশজুড়ে ওষুধের দোকান বন্ধ রাখার ডাক দিয়েছে ওষুধ বিক্রেতাদের সর্বভারতীয় সংগঠন ‘অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অব কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট’। অনলাইন ফার্মেসির প্রসার রোধ এবং ওষুধ ব্যবসায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমত, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ওষুধ বিক্রি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তাদের দাবি, এতে খুচরা বিক্রেতারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
দ্বিতীয়ত, বাজারে ভেজাল ও নকল ওষুধের বিস্তার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তৃতীয়ত, বৈধ প্রেসক্রিপশন ছাড়া বা ভুয়া প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে ওষুধ বিক্রি বন্ধে কড়া আইন প্রণয়ন করতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গে পরিস্থিতি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এই ধর্মঘট কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশন প্রাথমিকভাবে এই আন্দোলনের সমর্থনে ১২ ঘণ্টার প্রতীকী ধর্মঘট পালনের পরিকল্পনা করেছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, ধর্মঘট শুরু হবে আগামী ১৯ মে রাত ১২টা থেকে এবং চলবে ২০ মে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। ফলে ২০ মে সকালবেলায় সাধারণ মানুষ ওষুধ সংগ্রহে সমস্যায় পড়তে পারেন। তবে রোগীদের কথা বিবেচনা করে কিছু ছাড় রাখা হয়েছে—হাসপাতাল সংলগ্ন ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত ওষুধের দোকানগুলো জরুরি ভিত্তিতে খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী ৭ মে বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকের পরই জানানো হবে ১৯ ও ২০ মে রাজ্যে কীভাবে ধর্মঘট কার্যকর করা হবে। তাই চূড়ান্ত পরিস্থিতি জানতে ৭ মে’র সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।