রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেওয়া হবে: ত্রাণমন্ত্রী দুলু কুমিল্লায় বিএনপি নেতা আটকের পর থানা ঘেরাও, বাস টার্মিনাল বন্ধ ট্রাম্পের সময় শেষ হয়ে আসছে বিশ্ব ডেস্ক সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তায় হাঁটু পানি, দুর্ভোগে পথচারীরা ভুয়া বিল-ভাউচারে ইবি ছাত্র উপদেষ্টার লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দেড় ঘণ্টার মেগা এপিসোডে শেষ হচ্ছে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকট, বন্ধ হয়ে গেলো মার্কিন এয়ারলাইনস আন্দ্রিভাকে হারিয়ে মাদ্রিদ ওপেনের শিরোপা জিতলেন কস্ত্যুক প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু ডিসি সম্মেলন এক সময় ছিলেন বাংলাদেশি ছিটমহলের বাসিন্দা, এখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির অংশ

একীভূত ৫ ব্যাংকের ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২৬

একীভূত ৫টি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রয়েছে। ফলে যেসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ একীভূত ব্যাংকে রয়েছে, তাদের প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত অতিরিক্ত আর্থিক চাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবে।

একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলো হলো- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী, ইউনিয়ন, সোশ্যাল ইসলামী ও এক্সিম ব্যাংক। আর্থিক সংকটের কারণে এসব ব্যাংককে একীভূত করে একটি কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের আমানত একীভূত ব্যাংকে রয়েছে। এসব অর্থ সেসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ, তাই এসব বিনিয়োগের বিপরীতে প্রভিশন রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এই পাঁচ ব্যাংকের কাছে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ আটকে ছিল। এর মধ্যে একটি ইসলামী ব্যাংকেরই প্রায় ৮ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা।  তা থেকে আংশিক ফেরত মিললেও এখনো প্রায় ৮ হাজার ২৭৯ কোটি টাকা আটকে রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, শুরুতে ব্যাংক সুপারভিশন বিভাগ (বিএসডি) ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বাজার বিভাগ (ডিএফআইএম) থেকে আটকে থাকা অর্থের বিপরীতে প্রভিশন রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে ব্যাংক রেজল্যুশন বিভাগ (বিআরডি) জানায়, এ ধরনের অর্থের ক্ষেত্রে প্রভিশন রাখার প্রয়োজন নেই।

আটকে থাকা অর্থ একটি বিশেষ স্কিমের আওতায় রয়েছে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো হয় সরাসরি অর্থ ফেরত পাবে, নয়তো দীর্ঘমেয়াদি আমানত (এফডিআর) বা শেয়ারের মাধ্যমে সমপরিমাণ মূল্য পাবে।  ফলে অর্থ পুরোপুরি ক্ষতির মুখে পড়ার ঝুঁকিতে নেই।

এ বিষয়ে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তে স্বল্প মেয়াদে চাপ কমলেও দীর্ঘ মেয়াদে আটকে থাকা অর্থ পুরোপুরি আদায় করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102