মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নোয়াখালীতে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৯ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী লাভ ট্র্যাপে ফেলে ধর্ম লুকিয়ে মুসলিম তরুণীকে বিয়ে, গর্ভাবস্থায় চলে বর্বর নির্যাতন শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে : ট্রাম্প বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ঘরের ভেতরে নেটওয়ার্ক সমস্যা দূর করতে বিটিআরসির নতুন উদ্যোগ ওয়েব সিরিজ নির্মাণ হচ্ছে শাহরুখের সেই আলোচিত সিনেমা ঘিরে জেলের বড়শিতে ধরা পড়ল ৮ ফুট লম্বা কুমির যেভাবে হত্যা করা হয় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেটকে হরমুজ বন্ধ, বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় আটকে পড়া হাজারো নাবিক

মোটরসাইকেল ব্যবহারে বড়সড় বিধিনিষেধ জারি কলকাতা হাইকোর্টের

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

ভারতের কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চেও স্বস্তি পেল না ভারতের নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকে সামনে রেখে বাইক চলাচল সংক্রান্ত কমিশনের জারি করা নির্দেশিকার বিরুদ্ধে মামলায় আদালত জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে দলবদ্ধভাবে বাইক নিয়ে বের হওয়া যাবে না। তবে ব্যক্তিগতভাবে কেউ একা বাইক চালাতে চাইলে তাতে বাধা দেওয়া যাবে না।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।

আদালত স্পষ্ট করে দেয়, ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা সম্ভব নয়। ফলে সিঙ্গল বেঞ্চের আগের রায়ে সামান্য সংশোধন করা হলেও মূল সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। নতুন নির্দেশ আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

সংশোধিত নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটের দু’দিন আগে থেকে বাইক র‍্যালি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে এবং ভোটের ১২ ঘণ্টা আগে থেকে পিলিয়ন রাইডিং বন্ধ থাকবে। তবে চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থা, পারিবারিক প্রয়োজন বা শিক্ষার্থীদের আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় কাজে পিলিয়ন রাইডিংয়ের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ওলা, উবারের মতো অ্যাপভিত্তিক সেবা, জোম্যাটো এবং সুইগির ডেলিভারি কর্মী এবং পরিচয়পত্রসহ অফিসগামী বাইক আরোহীদের এই বিধিনিষেধের বাইরে রাখা হয়েছে।

শুনানিতে আদালত কমিশনের আইনজীবীর সমালোচনা করে জানায়, অন্য কোনো রাজ্যে এমন নির্দেশিকা জারি করা হয়নি- তাহলে বাংলায় কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো- এ প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি কমিশন।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার যুক্তিতে বাইক র‍্যালিতে নিষেধাজ্ঞা যুক্তিযুক্ত হলেও সাধারণ মানুষের বাইক ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা সমর্থনযোগ্য নয়।

এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চে শুনানির সময় বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি গুরুতর হলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা যেতে পারে, কিন্তু এভাবে সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করা যায় না।

একই সঙ্গে আদালত প্রশ্ন তোলে, যদি বাইক নিয়ে আশঙ্কা থাকে, তবে গাড়ি চলাচলও বন্ধ করা উচিত—যা কমিশনের যুক্তির অসঙ্গতি তুলে ধরে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102