বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আগের কমিটিকে ভেঙে দিয়ে ১১ সদস্যের নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে এনএসসি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) কর্তৃক বিসিবির নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন পদচ্যুত সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
নিজেকে এখনো বিসিবির বৈধ সভাপতি দাবি করে তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘অনৈতিক’ এবং ‘ক্রীড়াঙ্গনে সরকারি হস্তক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
সম্প্রতি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানান, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচন ছিল সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং নিয়মমাফিক। এনএসসির তদন্তে উত্থাপিত অনিয়মের অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
বুলবুল জানান, বিসিবি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এনএসসির তদন্ত করার কোনো আইনি এখতিয়ার নেই।
সাবেক এই সভাপতির দাবি, নির্বাচিত পর্ষদকে জোরপূর্বক সরিয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা আইসিসির গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী। এই ‘সরকারি হস্তক্ষেপের’ বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে জানাবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বুলবুল আরও জানান, বিসিবির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে হলে তা নিয়মতান্ত্রিক হতে হবে। আমরা আইসিসিকে পুরো বিষয়টি জানাব এবং আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।
এদিকে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। এনএসসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি ও গঠনতন্ত্র লঙ্ঘনের অকাট্য প্রমাণ পাওয়ায় এই কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, এনএসসি ইতোমধ্যেই তাদের তদন্ত রিপোর্ট এবং নবগঠিত ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির তালিকা আইসিসি সদর দপ্তরে পাঠিয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এনএসসি কর্তৃক গঠিত এই অ্যাডহক কমিটির প্রধান করা হয়েছে সাবেক দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবালকে। আইসিসি ইতোমধ্যে এই পরিবর্তনের বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে বলে জানা গেছে।