গোপালগঞ্জে পরকীয়ার বলি হয়েছে সাড়ে তিন বছরের এক শিশু সন্তান। ঘটনার প্রায় ২০ দিন পর ঘরের ভেতরে ট্রাংকে ভরা অবস্থায় শিশুটির পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ঘাতক মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গোপালগঞ্জ পৌরসভার গোবরা মধ্যপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শিশুর নানি পারভিন আক্তার জানান, কাতার প্রবাসী রুবেল শেখের দ্বিতীয় স্ত্রী সেতু বেগম তার সাড়ে তিন বছরের শিশু কন্যা ফারিয়াকে নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করতেন। এ সময় সেতু বেগম ফরিদপুর জেলার হাট কৃষ্ণপুর গ্রামের মিরাজ নামের এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।
টিকটকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে সংসার করার উদ্দেশ্যে সেতু বেগম প্রায় ২০ দিন আগে নিজ শিশু কন্যা ফারিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহটি একটি ট্রাংকে ভরে ঘরের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান।
ঘটনাটি জানতে পেরে নিহতের নানি পারভিন আক্তার বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ শিশুটির মাকে আটক করে। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত মা হত্যার দায় স্বীকার করলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির তালা ভেঙে ট্রাংকের ভেতর থেকে পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।