বাংলাদেশ ক্রিকেটে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরি ছিল আভিজাত্য আর অভিজ্ঞতার প্রতীক। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই আভিজাত্যে এবার ছেদ পড়ছে।
২০২৬ সালের জন্য বিসিবির প্রস্তাবিত কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকছে না কোনো ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরি। তিন সংস্করণে নিয়মিত ক্রিকেটারের সংকটে বিসিবি এবার হাঁটছে ভিন্ন পথে।
সাধারণত যারা টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—তিন ফরম্যাটেই অপরিহার্য, তারাই এই শীর্ষ ক্যাটাগরিতে স্থান পান।
বিসিবির এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, যেহেতু বর্তমানে কোনো ক্রিকেটারই তিন সংস্করণে নিয়মিত খেলছেন না, তাই এ নিয়ম ধরে রাখার চেয়ে বাস্তবসম্মত গ্রেডিংয়ে ফিরে যাওয়াই শ্রেয় মনে করছে বোর্ড।
গত বছর কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২২ জন থাকলেও এবার সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২৭-এ। তরুণদের সুযোগ দিতে এবং পাইপলাইন শক্তিশালী করতে আরও ৫ জন বাড়তি ক্রিকেটারকে যুক্ত করা হচ্ছে। বোর্ড সভার চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হবে এই তালিকা।
এবার সম্ভাব্য তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন যেসব নতুন মুখ তারা হলেন, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, নাঈম হাসান, তানভীর ইসলাম,হাসান মুরাদ।
২০২৫ সালের চুক্তিতে থাকা অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব সংস্করণ থেকে অবসর নেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই এবারের তালিকায় নেই। তবে রিয়াদ বাদে গতবারের বাকি ২১ জন ক্রিকেটারই তাদের জায়গা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
একনজরে কেন্দ্রীয় চুক্তির সম্ভাব্য ২৭ ক্রিকেটার
নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, তাইজুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাওহীদ হৃদয়, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা, সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, জাকের আলি অনিক, তানজিদ হাসান তামিম, শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, শেখ মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, খালেদ আহমেদ, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, নাঈম হাসান, তানভীর ইসলাম ও হাসান মুরাদ।