রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গী মাঠে বিশ্ব ইজতেমাসহ ৭ দাবি সাদপন্থিদের শেরপুরে রাস্তার ধারের চৌকিতেই কাটে রহস্য মানব শহীদের দিনরাত আলফাডাঙ্গায় চায়ের দোকানদারকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩ বগুড়ার শেরপুরে দুই নেত্রীর মারামারির ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ১২ হাজার প্রবাসীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলো সৌদি গরুর ঘরেই বসবাস, অসহায় সোহেলের পাশে দাঁড়ালেন সালথার ইউএনও দেশের সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে নারীদের সামনে আনতে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করছে সরকার : নিতাই রায় চৌধুরী সৌদিতে হুথি হামলার বিষয়ে অবস্থান পরিষ্কার করল ইরান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই : শাহে আলম

চিনি-আটা-ময়দা ও ডিমে অস্বস্তি

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও মুদি পণ্যের দামে হাঁসফাঁস করছেন ক্রেতারা। বাজারে চিনি, আটা, ময়দা ও ডিমের বাড়তি দামে অস্বস্তি বাড়ছে। বোতলজাত তেল ও চিনির সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর রায়েরবাগ, শনিরআখড়া ও কাজলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে বর্তমানে প্যাকেটজাত ময়দা প্রতি কেজি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও একই ময়দা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। দুই কেজির প্যাকেটের দামও ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।

রায়েরবাগ বাজারে আব্দুর রাজ্জাক নামের এক ক্রেতা বলেন, “বাজারে এক-দুইটি সবজির দাম কমলেও প্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামই বেশি। একসঙ্গে অনেক কিছু কিনতে গেলে আগের চেয়ে বেশি টাকা খরচ হচ্ছে।”

 

শনিরআখড়া বাজারে সোলায়মান নামে অপর ক্রেতা বলেন, “চিনি, তেল, ডিম, আটা-ময়দার দাম বেড়েছে। পরিবারের খরচ কমানোর চেষ্টা করেও পারছি না। যে টাকা নিয়ে বাজারে আসি, সব পণ্য কেনা সম্ভব হয় না।”

চিনির বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। খুচরা বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা। প্যাকেটজাত চিনির গায়েও সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২০ টাকা করা হয়েছে।

কাজলার রায়না মনি ট্রেডার্সের মালিক মোশাররফ হুসাইন বলেন, “চিনির দাম পাইকারি বাজারেই বেড়েছে। ডিলাররাও আগের চেয়ে বেশি দামে দিচ্ছেন। তাই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।”

তিন বাজারের বিক্রেতার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কয়েক দিনের ব্যবধানে ৫০ কেজির এক বস্তা চিনির দাম ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। প্যাকেটজাত চিনির দামও কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে।

 

রায়েরবাগ বাজােরের মায়ের দোয়া নামে দোকানের পাইকারি ব্যবসায়ী আহমেদ রাসেল বলেন, “দাম বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহও কমেছে। অনেক দোকানে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানি বা ডিলারের কাছ থেকে চাহিদামতো পণ্য না পেলে খুচরা বাজারে সংকট তৈরি হবেই।”

বিক্রেতারা বলেন, মিলগেট ও পাইকারি পর্যায়ে চিনির দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। একই সঙ্গে মিলগেট থেকে আগের তুলনায় সরবরাহ কমেছে।

ভোজ্যতেলের বাজারেও সরবরাহ কমেছে। খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়লেও বোতলজাত তেলের দাম এখনো সরকার নির্ধারিত পর্যায়ে রয়েছে। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি হিসেবে কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। ফলে অনেক দোকানেই চাহিদা অনুযায়ী বোতলজাত তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

বর্তমানে খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০০ টাকা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102