গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়ে গরুর মাংস বিক্রি নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করা এক কসাই আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আবেদনপত্র সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ জলিরপাড় গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর কসাই দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মুসল্লিদের চাহিদা অনুযায়ী মসজিদের পাশেই গরুর মাংস বিক্রি করে আসছিলেন। তার দাবি, এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক মুসলিম পরিবারের বসবাস থাকলেও সম্প্রতি স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাকে সেখানে গরুর মাংস বিক্রি করতে বাধা দেন।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ মে শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির এক কর্মকর্তা তাকে জানিয়ে দেন যে, জলিরপাড় গরুর হাট ছাড়া অন্য কোথাও গরুর মাংস বিক্রি করা যাবে না। নির্দেশ অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আলমগীর কসাই আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, যাতে তিনি আগের মতো মসজিদের পাশে গরুর মাংস বিক্রি চালিয়ে যেতে পারেন। তিনি দাবি করেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ওই এলাকায় মানুষের চাহিদা পূরণে তার ব্যবসা চালু রাখা প্রয়োজন।
ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। কেউ এটিকে ধর্মীয় অনুভূতি ও স্থানীয় চাহিদার বিষয় হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন বাজার ও জনশৃঙ্খলার স্বার্থে নির্ধারিত স্থানে ব্যবসা পরিচালনা করা উচিত।
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।