শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সঙ্গী আপনাকে নাকি আপনার টাকাকে ভালোবাসে, জানবেন কীভাবে? সন্তানের সামনেই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার নারী রামপালে সাংবাদিকের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে অপপ্রচার : সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবাদ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা কবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী অনলাইনে পরিচয়, প্রেমিকার খোঁজে রংপুরে চীনা যুবক যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যা, বেরিয়ে এল ভয়ঙ্কর তথ্য বড় চমক চীনের: বিশ্বের সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও শক্তিশালী এআই মডেল ‘ডিপসিক-ভি৪’ উন্মোচন মুসলমানদের অধিকার না দেওয়া পর্যন্ত ভারত ‘বিশ্বগুরু’ হতে পারবে না: ওয়াইসি রানা প্লাজা ধস : ১৩ বছরেও মেলেনি তাজা প্রাণের বিচার তেহরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে ইরান

সেন্ট মার্টিন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তই বহাল রাখছে সরকার

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটন কার্যক্রম সীমিত রাখার যে সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিয়েছিল, সেটিই ভবিষ্যতেও বহাল রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে নির্বাচিত সরকার। বছরে মাত্র তিন মাস পর্যটকদের জন্য দ্বীপটি উন্মুক্ত রাখার এই নীতি পরিবেশ রক্ষার জন্য জরুরি বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় ধরে পর্যটন চালু থাকলে দ্বীপটির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে। তিনি জানান, সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, টানা নয় মাস পর্যটন বন্ধ থাকার ফলে সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ, প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় সাত বছরের আলোচনা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর পরামর্শের ভিত্তিতে ২০২৪ সালে দ্বীপে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ওই বছরের অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকার সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত ও অবস্থানে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে।

বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, বছরে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাস সীমিত আকারে পর্যটকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। এ সময় প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক দ্বীপে যেতে পারেন। বছরের বাকি নয় মাস সেখানে পর্যটন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।

মন্ত্রী বলেন, এই ব্যবস্থা চালু রাখলে দ্বীপটি স্বাভাবিকভাবে তার পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরে পাওয়ার সুযোগ পায়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ এই দ্বীপের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্য রক্ষায় নিয়ন্ত্রিত পর্যটনের বিকল্প নেই।

সরকারের মতে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এই সীমিত পর্যটন নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102