শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিশুদের অভুক্ত রেখে ধর্মীয় আচারের নামে নদীতেই ঢালা হলো ১১ হাজার লিটার দুধ সময় ফুরিয়ে আসছে ট্রাম্পের! মার্কিন মসনদে জেডি ভ্যান্সকে বসানোর তোড়জোড় ফিলিস্তিনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা ও বিতর্কিত আইন বাতিলের দাবি দাওয়াতুল ইহসান বাংলাদেশ ইরানে হামলার জন্য নেতানিয়াহুর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বুশ, ওবামা ও বাইডেন চিনি ছাড়ার ৭ দিনেই শরীর ও মস্তিষ্কে যে পরিবর্তন আসবে ঋতু পরিবর্তনে সর্দি-জ্বর থেকে বাঁচতে কার্যকরী ঘরোয়া প্রতিকার পহেলা বৈশাখে ইলিশ সংকট, বিক্রি হচ্ছে আকাশছোঁয়া দামে স্বাদে ও ঐতিহ্যে বাংলার জনপদ: তিন জেলার তিন কিংবদন্তি খাবার পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধি দল যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় বাংলাদেশিদের উদ্যোগে মাদ্রাসা নির্মাণ

ইরানে হামলার জন্য নেতানিয়াহুর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বুশ, ওবামা ও বাইডেন

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত কয়েক দশক ধরে ইরানের ওপর সামরিক হামলার জন্য একের পর এক মার্কিন প্রেসিডেন্টকে প্ররোচিত করার চেষ্টা করেছেন। তবে প্রেসিডেন্ট বুশ থেকে শুরু করে ওবামা বা বাইডেন—প্রত্যেকেই তার এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

গত ১০ এপ্রিল এক সাক্ষাৎকারে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট ওবামা (ইরানে হামলার প্রস্তাব) প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রত্যাখ্যান করেছেন। এমনকি প্রেসিডেন্ট বুশও তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।”

কেরির মতে, নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকাতে মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে আসছিলেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন যেন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা বা সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালায়। কিন্তু মার্কিন নীতিনির্ধারকরা বারবারই এই পথে হাঁটতে অসম্মতি জানিয়েছেন।

জন কেরি আরও ইঙ্গিত দেন যে, মার্কিন প্রশাসন সবসময়ই মনে করেছে ইরানের সঙ্গে সংঘাত মানেই পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক মহাযুদ্ধের সূচনা হওয়া, যা মার্কিন স্বার্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। ওবামা প্রশাসনের সময় সম্পাদিত ইরান পারমাণবিক চুক্তির (JCPOA) অন্যতম কারিগর ছিলেন কেরি। নেতানিয়াহু বরাবরই এই চুক্তির ঘোর বিরোধী ছিলেন এবং কূটনৈতিক সমাধানের চেয়ে সামরিক পদক্ষেপকেই প্রাধান্য দিয়েছিলেন।

কেরির এই বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এলো যখন গাজা এবং লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা তুঙ্গে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জন কেরির এই মন্তব্য প্রমাণ করে যে ইসরায়েল বারবার আমেরিকাকে যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করলেও ওয়াশিংটন নিজের কৌশলগত অবস্থান থেকে সরেনি।

এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102