বাগেরহাটের রামপালে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে একই পরিবারের নিহত ৯ জনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমা শেষে মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে জানাজার পর পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহতরা হলেন- মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, নতুন বর আহাদুর রহমান সাব্বির, নববধূ মার্জিয়া আক্তার (মিতু), আব্দুল্লাহ সানি, উম্মে সুমাইয়া ঐশী, সামিউল ইসলাম ফাহিম, ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল, আলিফ, আরফা, ইরাম, মাইক্রোবাস চালক মো. নাঈম শেখ, লামিয়া আক্তার, রাশিদা বেগম এবং আনোয়ার বেগম।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনায় আব্দুর রাজ্জাকের দুই ছেলে, এক মেয়ে, এক পুত্রবধূ এবং চার নাতি-নাতনি প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে তার স্ত্রী ও তিন ছেলে জীবিত থাকলেও পরিবারের বড় একটি অংশ চিরতরে হারিয়ে গেছে।
স্ত্রী ও তিন সন্তানকে হারানো আশরাফুল আলম জনি বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। এক নিমেষেই স্ত্রী, সন্তান, ভাই-বোন সবাইকে হারালাম। আমি এখন কার মুখ চেয়ে বাঁচব?
জানাজায় অংশ নিয়ে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, নিহতদের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের ত্রাণ তহবিল, জেলা পরিষদ এবং সড়ক পরিবহণ আইনের আওতায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে নিহত মাইক্রোবাস চালকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।