জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভোট নিয়ে ফেসবুকে নিজের ভাবনা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব ড. মিজানুর রহমান আজহারী।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, তারুণ্যের প্রথম ভোট ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে হোক।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬-তে উল্লেখ রয়েছে, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচার কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনি এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করতে পারবে। তবে সে ক্ষেত্রে—(ক) প্রার্থী বা তার নির্বাচনি এজেন্ট বা দল বা প্রার্থী সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্যাদি উক্তরূপে প্রচার শুরুর পূর্বে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে দাখিল করবেন।
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এ নির্বাচনি ব্যয়সীমা সম্পর্কে বিধি ২২-এর (২)-এ আরও উল্লেখ রয়েছে যে, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন বিষয়ক কোনো কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব প্রচার ব্যয়ের শিরোনামে সামগ্রিক নির্বাচনি ব্যয়সহ নির্বাচন কমিশন বরাবর দাখিল করবেন।’
এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার প্রচারণায় যে ব্যয় হবে তা নির্বাচনি ব্যয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে দাখিল করার বিধান রয়েছে।
এমতাবস্থায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায় উল্লিখিত বিষয়গুলো যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোন কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে, সে-সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে জনসংযোগ শাখায় প্রেরণ করার জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।
তপশিল অনুযায়ী, গত ২২ জানুয়ারি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচার শুরু হয়েছে; যা চলবে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।
গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।