বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপিকে এবার জনগণ লাল কার্ড দেখাবে এবং আগামী ১৩ তারিখ থেকে জনগণ একটি নতুন বাংলাদেশ পাবে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, যাদের বগলের তলে ঋণখেলাপি, তারাই দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করবে। এর আগে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিতে সোমবার কক্সবাজার আসেন ডা. শফিক।
তার সফরের জন্য শহরের মুক্তিযোদ্ধা মাঠে মঞ্চসজ্জা ও জনসভা পরিচালনার ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সকাল থেকে নেতাকর্মীরা সমাগম শুরু করেন এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
সভায় লাখো মানুষের উপস্থিতি সাধারণ ভোটারদের চমকিত করেছে। এতে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন জাগপার নেতা রাশেদ প্রধান, এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু, ডাকসু নেতা এস এম ফরহাদ, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি মো. সিবাগাতুল্লাহ সিফাত, কক্সবাজার-১ আসনের দাঁড়িপাল্লা মনোনীত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক, কক্সবাজার-৩ আসনের শহীদুল আলম বাহাদুর, কক্সবাজার-৪ আসনের নূর হোসাইন আনোয়ারী এবং কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর রাজ বিহারী দাশ।
জনসভায় কক্সবাজারের চারটি আসনের জামায়াত প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা উপহার তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে মহেশখালীতে নির্বাচনি সভায় ডা. শফিক বলেন, আমরা শুধু জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না; আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। হামিদুর রহমান আযাদ নির্বাচিত হলে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার মানুষ তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে পাবে।
তিনি আরও বলেন, আল্লাহ চাইলে আমরা মহেশখালীকে সিঙ্গাপুর-হংকংয়ের মতো উন্নত করতে পারি। মহেশখালীকে স্মার্ট ইকোনমিক জোন হিসেবে গড়ে তুলতে যা প্রয়োজন, আমরা তা করব।
সভা শেষে হেলিকপ্টারযোগে দুপুর ১টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান। এরপর মুক্তিযোদ্ধা মাঠে জনতার উদ্দেশে ভাষণ দেন। দুপুর ২টায় চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার পদুয়া জনসভায় যোগ দিতে কক্সবাজার ছাড়েন।