রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন

দ্বৈত নাগরিকত্বে অভিযুক্তদের আসনে ভোট স্থগিতের আহ্বান

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও বিদেশে সম্পদ সংক্রান্ত অভিযোগে জড়িত প্রার্থীদের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নাগরিক কোয়ালিশন। সংগঠনটি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, সেসব আসনে ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা হোক। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়েছে তারা।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো সংস্কারের লক্ষ্যে নাগরিক উদ্যোগ হিসেবে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ দাবি তুলে ধরা হয়। এতে সংগঠনের সহ-সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুর স্বাক্ষর রয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচনী আইন যথাযথভাবে এবং নিরপেক্ষতার সঙ্গে প্রয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে নাগরিক সমাজ।

নাগরিক কোয়ালিশন অভিযোগ করে, কিছু ক্ষেত্রে প্রার্থিতা যাচাইয়ের সময় নির্বাচন কমিশন আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়া পুরোপুরি অনুসরণ করেনি। গত ২২ জানুয়ারি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, একাধিক প্রার্থী তাদের হলফনামায় বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ ও দেশের বাইরে থাকা সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

সংগঠনটির মতে, এ ধরনের তথ্য গোপন করা নির্বাচনী আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আইন অনুযায়ী এসব অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলযোগ্য। তবে দুঃখজনকভাবে, অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে এবং তারা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বহু মানুষের ত্যাগ ও প্রাণের বিনিময়ে দেশে গণতান্ত্রিক উত্তরণের যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে, কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে তা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া উচিত নয়। এতে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদাও ক্ষুণ্ন হতে পারে বলে মন্তব্য করে সংগঠনটি।

এ পরিস্থিতিতে নাগরিক কোয়ালিশন জোর দিয়ে বলেছে, যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে নতুন করে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ উঠেছে, তাদের সংশ্লিষ্ট আসনে নির্বাচন আপাতত স্থগিত রেখে নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না মিললে দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন নির্বাচনী তারিখ ঘোষণা করা যেতে পারে। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করা নির্বাচন কমিশনের নৈতিক ও আইনগত দায়িত্ব বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102