বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ আসনে ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে গণঅধিকার পরিষদ জাতিসংঘ সংস্থার সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দিল ইসরায়েল বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবিত ২০ গ্রেডের নতুন সরকারি বেতন স্কেল দেখে নিন ইবির দুর্নীতি ও অনিয়মের পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির ৫৯ নেতাকে বহিষ্কার দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে সেনাপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে ‘নবম জাতীয় বেতন কমিশন’ প্রতিবেদন পেশ বরিশালে চূড়ান্ত লড়াইয়ে ৩৬ প্রার্থী, পেলেন প্রতীক বরাদ্দ

চীন-ভারত সীমান্তে আবারও উত্তেজনা

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬

ভারতের সীমান্তঘেঁষা অঞ্চলে চীনের অবকাঠামো নির্মাণকে কেন্দ্র করে আবারও দিল্লি ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিতর্কিত এই অঞ্চলটি চীনের কাছে আকসাই চীন এবং ভারতের কাছে শাকসগাম উপত্যকা নামে পরিচিত। চীন সম্প্রতি অঞ্চলটিকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করেছে। চীন বলেছে, এই এলাকায় তাদের অবকাঠামো নির্মাণের কাজ নিয়ে কারো প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নেই।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, কয়েক দিন আগে এই উপত্যকায় চীনের নির্মাণকাজের সমালোচনা করে নয়াদিল্লি দাবি করেছিল, এটি ভারতের এলাকা এবং নিজের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার দিল্লির রয়েছে।

উঁচু উচ্চতার ওই এলাকা চীনের জিনজিয়াং প্রদেশ এবং সিয়াচেন বা আকসাই চীন এলাকার কাছে অবস্থিত।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, ‘এই অঞ্চল চীনের অংশ। নিজেদের এলাকায় অবকাঠামো তৈরি করার পূর্ণ অধিকার আমাদের রয়েছে।’

তিনি দাবি করেন, ১৯৬০-এর দশকেই পাকিস্তান ও চীন সীমান্ত নির্ধারণ করেছে। এটি তাদের সার্বভৌম অধিকার।

তবে ভারত ওই চুক্তি কখনো মেনে নেয়নি। ভারতের দাবি, ১৯৬৩ সালের চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হলে তবেই চীনের সঙ্গে সীমানা নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি হবে।

এ ছাড়া চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) নিয়ে ভারতের আপত্তির জবাবে চীন জানিয়েছে, এটি কেবলই একটি অর্থনৈতিক প্রকল্প।

ভারতের অবস্থান বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘শাকসগাম (আকসাই চীন) উপত্যকা ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমরা ১৯৬৩ সালের অবৈধ সীমান্ত চুক্তি কখনোই মেনে নিইনি।’

ভারতের আপত্তি সত্ত্বেও চীন শাকসগাম (আকসাই চীন) দিয়ে সব ঋতুতে চলাচলের উপযোগী সড়ক নির্মাণ করছে। এই সড়ক সিয়াচেন হিমবাহ থেকে মাত্র ৪৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ধারণা করা হচ্ছে, লাদাখ ও কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে পাকিস্তান ও চীন মিলে এই নতুন সীমান্ত পথগুলো তৈরি করছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102