জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে সাধারণত সংশ্লিষ্ট আসনের ভোট স্থগিত করার বিধান থাকলেও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু এই তপশিলে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর কোনো বৈধ প্রার্থী মারা গেলে বা আইনি কারণে প্রার্থিতা বাতিল হলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করে নতুন তপশিল ঘোষণা করবেন। তবে আগের তপশিলে বৈধভাবে মনোনয়ন দেওয়া প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র বা জামানতের অর্থ জমা দিতে হবে না।
৩০ ডিসেম্বর ভোর ৬টায় খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করার পর নির্বাচন স্থগিত হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, আইনে বৈধ প্রার্থীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে নির্বাচন স্থগিত করার বিধান থাকলেও খালেদা জিয়া এখনো বৈধ প্রার্থী হননি। তাই এই তপশিলে কোনো প্রভাব পড়বে না।
তিনি আরও জানান, বিএনপি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থাকে বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে বিকল্প প্রার্থীও রেখেছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, বিষয়টি আরপিও পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা ২৯ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে। এই সময়ে খালেদা জিয়ার নামে বগুড়া, দিনাজপুর ও ফেনীর তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ওই আসনগুলোতে বিএনপির পক্ষ থেকে বিকল্প প্রার্থীর মনোনয়নও দাখিল করা হয়েছে।