২০২৫ সালে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম একযোগে দেশের ৬৪টি জেলায় শুরু হচ্ছে। যারা সম্প্রতি ভোটার হয়েছেন কিংবা আগে ভোটার হলেও এখনো স্মার্ট কার্ড পাননি, তাদের জন্য এই সূচি জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন জেলা ও উপজেলা ভিত্তিতে নতুন স্মার্ট কার্ড বিতরণ করবে। যারা এ বিষয়ে এখনো অবগত নন, তারা দ্রুত নিজ নিজ এলাকার তথ্য জেনে নিতে পারেন।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব নাগরিক পূর্বে ভোটার হয়েছেন কিন্তু এখনো স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারেননি, তাদের জন্য এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা নির্ধারিত বিতরণ কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে।
২০২৫ সালের জাতীয় পরিচয়পত্র স্মার্ট কার্ড বিতরণ সূচি নিয়ে অনলাইনে বিপুল সংখ্যক মানুষ তথ্য খুঁজছেন। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় দ্রুত ও সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়াই এই তথ্য প্রকাশের উদ্দেশ্য।
জাতীয় পরিচয়পত্র একজন নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং বাংলাদেশ সরকার ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সি নারী-পুরুষ সবাইকে এনআইডি কার্ড প্রদান করে। যারা অনলাইনে অথবা সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এনআইডির জন্য আবেদন করেছেন, তাদের জন্য এ তথ্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
অনলাইনে এনআইডির কপি সংগ্রহ
জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি পেতে নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। এর মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ডের একটি অনলাইন কপি সংগ্রহ করা যাবে, যা বিভিন্ন কাজে ব্যবহারযোগ্য।
নির্বাচন কমিশনের প্রথম ধাপে দেশের বিপুলসংখ্যক উপজেলায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে। আপনার ইউনিয়নের নাম যদি তালিকায় থাকে এবং আপনি ভোটার হয়ে থাকেন, তাহলে সহজেই এনআইডি স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
গুরুত্বপূর্ণ লিংক- https://www.nidw.gov.bd/all_tender.php
এসএমএসের মাধ্যমে স্মার্ট কার্ডের তথ্য জানার উপায়:
যদি এখনো স্মার্ট কার্ড হাতে না পান তাহলে এসএমএসের মাধ্যমেও তথ্য জানা যাবে।
ফরম্যাট:
SC NID
পাঠাতে হবে: ১০৫ নম্বরে
উদাহরণ:
SC NID 19785432345654345 → পাঠান ১০৫-এ
যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ সংখ্যার, তাদের ক্ষেত্রে জন্মসাল যুক্ত করে ১৭ সংখ্যা করতে হবে।
উদাহরণ:
যদি এনআইডি নম্বর হয়: 1234567891011
এবং জন্মসাল ১৯৮৭ হলে লিখতে হবে:
19871234567891011
দেশের আইন ও শৃঙ্খলা মেনে চলা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। যাদের এখনো স্মার্ট কার্ড হাতে আসেনি, তারা অনলাইন কপি ডাউনলোড করে আপাতত প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন। সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছাড়া অন্যত্র মূল এনআইডি দেখানোর প্রয়োজন হয় না। সম্প্রতি ভোটার হওয়া নাগরিকরা মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই অনলাইন কপি সংগ্রহ কর0তে পারবেন।