ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ ও প্রশাসনসহ সব বিভাগ থেকে দায়িত্বরত সব কর্মকর্তার তথ্য চেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠি মাঠ কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তথ্য পাঠাতে হবে। এর মধ্যে উপমহাপুলিশ পরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নিজস্ব কর্মকর্তাদের—আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তারাও নিয়োজিত থাকবেন। তাদের সকলের তথ্যও নির্ধারিত ছকে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হবে।তপশিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দের পরদিন থেকে অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। প্রচারণা চলবে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
এ ছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিলের তারিখ ১১ জানুযারি, আপিল শুনানি নিষ্পত্তির ১২ জানুযারি থেকে ১৮ জানুযারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুযারি। প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুযারি, ভোটগ্রহণ ও গণভোট হবে ১২ ফ্রেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।