চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ২০২০ সালের ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ রহিত করে ‘চাঁদপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’ নামে নতুন আইন প্রণয়নের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদ ও প্রশাসনিক পরিভাষায় পরিবর্তনের কথাও বলা হয়েছে। বিদ্যমান আইনের ‘আচার্য’ পদকে ‘চ্যান্সেলর’, ‘উপাচার্য’কে ‘ভাইস চ্যান্সেলর’ এবং ‘উপউপাচার্য’কে ‘প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর’ হিসেবে অভিহিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একইভাবে ‘বাছাই কমিটি’র পরিবর্তে ‘নিয়োগ বোর্ড’ শব্দ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদবি ও প্রশাসনিক কাঠামোর পরিভাষাতেও আধুনিকায়নের প্রস্তাব রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পর্ষদ সিন্ডিকেট ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের গঠনেও পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, স্পিকার কর্তৃক মনোনীত চাঁদপুর জেলার একটি আসনের সংসদ সদস্য, অর্থ বিভাগ ও লেজিসলেটিভ বিভাগের যুগ্মসচিব পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একজন পূর্ণকালীন সদস্যকে সিন্ডিকেটে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেল (আইকিউএসি), যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ এবং অভিযোগ প্রতিকার সেল গঠনের বিষয়ও আইনে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদ ও প্রশাসনিক পরিভাষায় পরিবর্তনের কথাও বলা হয়েছে। বিদ্যমান আইনের ‘আচার্য’ পদকে ‘চ্যান্সেলর’, ‘উপাচার্য’কে ‘ভাইস চ্যান্সেলর’ এবং ‘উপউপাচার্য’কে ‘প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর’ হিসেবে অভিহিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একইভাবে ‘বাছাই কমিটি’র পরিবর্তে ‘নিয়োগ বোর্ড’ শব্দ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদবি ও প্রশাসনিক কাঠামোর পরিভাষাতেও আধুনিকায়নের প্রস্তাব রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পর্ষদ সিন্ডিকেট ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের গঠনেও পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, স্পিকার কর্তৃক মনোনীত চাঁদপুর জেলার একটি আসনের সংসদ সদস্য, অর্থ বিভাগ ও লেজিসলেটিভ বিভাগের যুগ্মসচিব পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একজন পূর্ণকালীন সদস্যকে সিন্ডিকেটে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেল (আইকিউএসি), যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ এবং অভিযোগ প্রতিকার সেল গঠনের বিষয়ও আইনে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।