রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি বাগেরহাট সদর থানা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাগেরহাট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী।
সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এমন একটি সময় ছিল যখন প্রকাশ্যে বিএনপির রাজনীতি করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। নানা ধরনের রাজনৈতিক চাপ, মামলা, হামলা ও প্রশাসনিক হয়রানির মধ্যেও শেখ মিজানুর মাহামুদ (রাজন) দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে সরে যাননি। তিনি দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, ব্যানার-পোস্টার প্রচার এবং সংগঠনকে সক্রিয় রাখার কাজে নিয়মিত ভূমিকা পালন করেছেন।
দল যখন নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তখন তিনি সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নির্বাচন থেকে বিরত থাকেন। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক প্রয়োজনে পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন বলে তাঁর সহযোগীরা জানান।
রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন। অসহায় মানুষের সহযোগিতা, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন বলে স্থানীয়দের একাংশের দাবি।
শেখ মিজানুর মাহামুদ (রাজন) একটি রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর মামা ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মরহুম শেখ তৈয়েবুর রহমান। পারিবারিক এই রাজনৈতিক ঐতিহ্য তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও নেতৃত্ব বিকাশে প্রভাব ফেলেছে বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা মনে করেন। এ কারণেই তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানার, পোস্টার ও প্রচারণায় তাঁর মামার ছবি ব্যবহার করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও রাজনৈতিক অনুপ্রেরণার প্রকাশ ঘটান।
তাঁর সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আদর্শ, সততা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ত্যাগের মাধ্যমে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির সঙ্গেও তাঁর আন্তরিক সম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উৎসাহ ও স্নেহ পেয়ে আসছেন।
সমর্থকদের মতে, শেখ মিজানুর মাহামুদ (রাজন)-এর রাজনৈতিক পরিচয়ের মূল ভিত্তি চারটি বিষয়—ত্যাগ, আদর্শ, সাহস ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। রাখালগাছি ইউনিয়নের অনেক মানুষের বিশ্বাস, প্রতিকূল সময়ে তিনি দলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান।