বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দল নেতা বাদল মোড়লের নৃশংস হত্যাকাণ্ড এবং এ ঘটনার জের ধরে বারুইপাড়া বাজারে জামায়াত ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যালয়সহ বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ)।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় মব পরিস্থিতি সৃষ্টি করে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, ভাঙচুর চালানো কিংবা এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড এলাকার শান্তি, শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য হুমকিস্বরূপ।
সংসদ সদস্য রাহাদ জানান, ঘটনার পরপরই তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিবৃতিতে তিনি চারটি বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে রয়েছে— হত্যাকাণ্ডে জড়িত খুনিদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতার, ভাঙচুর ও তছনছের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, তদন্তে দোষী প্রমাণিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় নতুন করে কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি না হয় সে জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
এ সময় তিনি সর্বস্তরের জনগণ, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে ধৈর্য ধারণ করে শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার অনুরোধ করেন।
সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) বলেন, “অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তদন্ত সাপেক্ষে তাকে বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে। মাঠপর্যায়ে এর প্রতিফলন জনগণ দেখতে পাবে, ইনশাআল্লাহ।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, হত্যাকাণ্ড ও পরবর্তী সহিংসতার ঘটনায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।