ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারভর্তি ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মা, দুই ছেলে ও মেয়েসহ নিহতের বাড়ি যশোরে।
নিহতরা হলেন, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী নূরজাহান বেগম (৫০), মেয়ে আয়শা খাতুন (২৮), দুই ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৫), রাকিবুল ইসলাম (১৮) ও প্রাইভেটকারের চালক মনিরামপুর উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের জাহিদ হোসেন (৩২)।
দুর্ঘটনায় আয়শা খাতুনের দুই শিশুসন্তান আশরাফুল হোসেন (৭) ও তাছফিয়া খাতুন (৩) গুরুতর আহত হয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শিবচর হাইওয়ে থানার ওসি মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বাড়ি যশোরে৷ তাদের আত্মীয়স্বজনরা থানায় এসেছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে, একই পরিবারের চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় ঝিকরগাছা উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উল্লেখ্য, ঢাকা থেকে যশোরগামী প্রাইভেটকারটি মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর ৪টার দিকে ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মালিগ্রাম ফ্লাইওভার পার হওয়ার আগে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকার দুমড়ে মুচড়ে ভেতরে থাকা নূর জাহান, আয়শা, আরিফুল ও জাহিদ ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
এ ছাড়া দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রাকিবুল, আশরাফুল ও তাছফিয়াকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রাকিবুলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।