বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের জন্য আবারও বড় পর্দায় ফিরছে প্রতিবাদের এক নতুন ঝড়। ডিএন বাংলার প্রযোজনায় নির্মিত হতে যাচ্ছে সামাজিক অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী চলচ্চিত্র ‘ইতিহাস’। এই সিনেমাটির বিশেষত্ব হলো, এর পরিচালনা এবং কেন্দ্রীয় চরিত্র—উভয় দায়িত্বেই থাকছেন তরুণ নির্মাতা ও অভিনেতা দ্বীন ইসলাম।
চলচ্চিত্রটির প্রেক্ষাপট সাজানো হয়েছে বর্তমান সময়ের আলোচিত ও জ্বলন্ত ইস্যু ‘সিন্ডিকেট’ কেন্দ্র করে। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে থাকা অন্যায়, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে একজন সাধারণ মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পই ফুটে উঠবে এই সেলুলয়েডে। ‘রক্ষক যখন ভক্ষক’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে এক ইনসাফপূর্ণ সমাজ গড়ার ডাক দেওয়া হয়েছে এই সিনেমার গল্পে।
সিনেমাটিতে দ্বীন ইসলামের বিপরীতে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করছেন নবাগত অভিনেত্রী সুরভি নুর। এ ছাড়াও চলচ্চিত্রটির বড় চমক হিসেবে থাকছেন বাংলা চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি ও খ্যাতিমান পরিচালক কাজী হায়াৎ। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মারুফ আকিব, আরিয়ান খান, সুব্রত, দুর্ধর্ষ খলনায়ক ডানি সিডাক, জ্যাকি আলমগীর, হাবিব খান প্রমুখ।
সিনেমাটি নিয়ে দ্বীন ইসলাম বলেন, ‘পরিচালনা আমার নেশা, আর অভিনয় আমার ভালোবাসা। দর্শকদের একটি সময়োপযোগী গল্প উপহার দেওয়ার তাড়না থেকেই এই চ্যালেঞ্জটি নিয়েছি। আমরা দেখানোর চেষ্টা করেছি, সিন্ডিকেট যত শক্তিশালীই হোক না কেন, মানুষের একতা আর সাহসের কাছে তার পতন অনিবার্য। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে সিনেমার দৃশ্যধারণ হবে।’
সংশ্লিষ্টদের মতে, নবীন ও প্রবীণ একঝাঁক শিল্পীর উপস্থিতিতে ‘ইতিহাস’ চলচ্চিত্রটি ঢাকাই সিনেমার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে এবং দর্শকদের হলে ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, ‘ইতিহাস’ সিনেমায় একসঙ্গে পর্দায় এসেছিলেন কাজী মারুফ ও রত্না। মুক্তির পর তুমুল আলোচনার জন্ম দেয় এটি। ‘ইতিহাস’ দিয়ে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয়েছিল মারুফের। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একই নামে আবারও সিনেমা নির্মিত হলেও এটি একেবারে আলাদা বলে জানিয়েছেন এর নির্মাতা।