উপকূলীয় অঞ্চলে সকল মানুষের জন্য নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করবে সরকার ড. ফরিদুল ইসলাম উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করবে সরকার।
ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন বন্ধ করে বৃষ্টির পানি ব্যাবহার বাড়াতে হবে। কারণ আমাদের বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যে কঠিনভাবে সতর্কতা প্রকাশ করে বলেছেন, ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে পৃথিবীর ভারসাম্য দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে নিরাপদ থাকার উপয় আছে, কিন্তু মনুষ্যসৃষ্ট দূর্যোগ মোকাবিলা বা তার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার কোন সুযোগ নেই।
যে কারণে নিরাপদ বৃষ্টির পানি হতে পারে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষদের রক্ষার উপয়। শনিবার (৯ মে) রামপাল উপজেলা অডিটোরিয়ামে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রধান অথিতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সোলার-পাওয়ারড সেইফ ওয়াটার ফর কোস্টাল কমিউনিটিজ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন এনজিও সরকারের অনুঘটক হিসেব কাজ করছে।
আমরা নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ টয়লেট ব্যাবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, বাগেরহাট জেলা পরিষদ প্রশাসক ব্যারিষ্টার শেখ মো. জাকির হোসেন।
রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী, রামপাল উপজেলা প. প. কর্মকর্তা ডাক্তার সুকান্ত কুমার পাল, সহকারী পুলিশ সুপার (মোংলা সার্কেল) রেফাতুল ইসলাম, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন, রামপাল থানার ওসি মো. রাজিব আল রশিদ, পরিবেশবিদ মো. নূর আলম শেখ, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সাউদার্ন বাংলাদেশ ক্লাস্টারের এডি ডিরেক্টর জেনি মিলড্রেড ডি’ ক্রুজ প্রমুখ। কর্মশালায় বক্তারা উপকূলীয় এলাকায় নিরাপদ পানির সংকট নিরসনে সোলার-পাওয়ারভিত্তিক টেকসই পানি সরবরাহ ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তারা বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে লবণাক্ততা প্রবণ অঞ্চলের মানুষ নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পাবে, যা জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রামপাল এরিয়া প্রোগ্রাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও সুধীজন অংশগ্রহণ করেন।