গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে জোরপূর্বক সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের অভিযোগে অভিযুক্ত এএসআই আজিজুল হককে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. দেলোয়ার হোসেনের দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানা যায়, তিনি চৌরাস্তা এলাকায় একটি প্রেস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রুবেল ফিলিং স্টেশনের বিপরীত পাশে একটি সিএনজি থেকে নেমে রাস্তা পার হওয়ার সময় হঠাৎ একটি সিএনজি এসে তাকে জোরপূর্বক তুলে নেয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে বাইমাইল হরিণচালা এলাকার কাশেম কটনের পূর্ব পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং তল্লাশির আগে চড় মারা হয়। একপর্যায়ে একটি পলিথিনে থাকা ইয়াবা ট্যাবলেট দেখিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো হয়। পরে তার কাছে থাকা নগদ ২৮ হাজার ৪০০ টাকা কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন দেলোয়ার। এ ঘটনায় কোনাবাড়ি থানার এএসআই আজিজুল হকের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনার সময় সিএনজিতে সিফাত নামের আরও এক যুবক ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, তার মোবাইলে অনলাইনে জুয়া সংক্রান্ত অ্যাপস থাকার অভিযোগ তুলে তাকেও আটক রাখা হয়। পরে তার কাছ থেকেও টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হলে তিনি তার ভাইয়ের মাধ্যমে দেলোয়ারের মোবাইলে ২ হাজার ৪০০ টাকা পাঠান।
পরবর্তীতে দেলোয়ারকে সিএনজি চালকের সঙ্গে পাঠিয়ে বাইমাইল মসজিদ মার্কেট এলাকায় নিয়ে গিয়ে তার মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ) অ্যাকাউন্ট থেকে আরও প্রায় ৭ হাজার ২০০ টাকা উত্তোলন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।