থানা-পুলিশকে ম্যানেজ করে গোমতী নদী থেকে মাটি কাটা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘মাটিখেকোরা মাটি কাটার আগে পুলিশকে জানায়- আমরা এই সময় থেকে ওই সময় পর্যন্ত মাটি কাটব। এসিল্যান্ড-ইউএনও স্পটে যেতে যেতে পুলিশ আবার তাদের সচেতন করে দেয়।
তখন স্পটে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায় না। তাদের যদি এক-দুই লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়, সেটাকে তারা ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে ধরে নেয়। এই খরচটা তাদের গায়ে লাগে না। আমি বলব, সমঝোতার ভিত্তিতেই গোমতী নদী থেকে মাটি কাটা হচ্ছে। এতে থানা-পুলিশের কিছু সদস্য জড়িত আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি গতকাল রাতে গোমতী নদীর বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখেছি। আমি যাওয়ার খবর তারা আগেই পেয়ে যায়। কাল কেউ মাটি কাটার সাহস করেনি।’
তিনি প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি, দেবিদ্বারে যে পাঁচটি স্পট থেকে মাটি কাটা হয়, ওই পাঁচটির মধ্যে একটি স্পটেও যেন আর এক কোদাল মাটি কাটা না হয়। যদি এক কোদাল মাটি কাটা হয়, সে ক্ষেত্রে আপনারা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। না হলে আমি ধরে নেব, আপনারা প্রশ্রয় দিচ্ছেন বলেই তারা মাটি কাটার সুযোগ পাচ্ছে। আমি মনে করি, পুলিশের ভূমিকা এখানেই খুবই জরুরি। আপনারা প্রয়োজনীয় দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেবেন।’
দেবিদ্বার নিউ মার্কেট বাজার স্থানান্তরের বিষয়ে হাসনাত বলেন, ‘রাস্তার পাশে রোড ডিভাইডারের মধ্যে দোকানপাট বসানো হয়। এতে সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। আমি বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, তাদের জন্য স্থায়ী একটি ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য। আমি বলব, আজ থেকেই আপনারা দেবিদ্বার পুরাতন বাজার ও জেলা পরিষদ মার্কেট প্রস্তুত করেন। আমি ব্যবসায়ীদের সেখানে যেতে আইনগতভাবে বাধ্য করব। আমরা সবাই মিলেমিশে দেবিদ্বারকে সুন্দর করব।’