ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে শুধু পোলিং এজেন্ট ও আইনশৃঙ্খলার কাজে নিয়োজিতরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ভোটার, প্রার্থী, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা মোবাইল নিয়ে ভোট কেন্দ্রের ভেতরে যেতে পারবেন। তবে গোপন কক্ষের ছবি তুলতে পারবেন না। তবে শুধু পোলিং এজেন্ট ও আইনশৃঙ্খলার বিধিনিষেধ থাকবে।
আখতার আহমেদ বলেন, ৫৪০ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক এসেছেন। আমন্ত্রিতদের মধ্য থেকে ৬০ জন তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, পাকিস্তান ও জর্জিয়া থেকে সাংবাদিক পর্যবেক্ষক আসছেন। আল জাজিরা, রয়টার্স, ডয়েচে ভেলে ও এপি থেকেও সাংবাদিক আসছেন। এ ছাড়া ইইউ থেকে ২২৩ জন, কমনওয়েলথ থেকে ২৫ জন, আইআরআই থেকে ১২ জন পর্যবেক্ষক আসছেন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এসেছিলেন আজ। তাদের প্রথম কনসার্ন ছিল মোবাইল ফোন। এখানে একটু মিসকমিউনিকেশন হয়েছে। যেটা বোঝাতে চেয়েছি সেটা লিখিতভাবে বোঝাতে পারিনি। মোবাইল নিয়ে কিছু বিধিনিষেধ থাকবে সেটা আমরা ফিল্টার করছি।
ইসি সচিব বলেন, রেজাল্ট ডিলে হওয়ার যৌক্তিক কারণ নেই। ব্যালট গোনার সময়টাকে আপনি দেরি বলতে পারেন না।
তিনি বলেন, বেশি সময় আর বাকি নেই। আগামীকাল সকাল থেকে প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা যেন বন্ধ থাকে, সে বিষয়ে ডিজিটাল প্রচারণা মনিটরিং করা হবে।
ইসি সচিব বলেন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। মারাত্মক কোনো খবর আসেনি। তবে দুটি প্রাণহানির ঘটনা দুঃখজনক। প্রাণহানির মতো ঘটনা নিন্দনীয়।