হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) মশার উপদ্রব প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে বিকেল ও সন্ধ্যার সময় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের কাছে মশা যেন আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছে।
ক্যাম্পাসের পাশাপাশি আবাসিক হলগুলোতেও সন্ধ্যার পর মশার উৎপাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায়ও মশা নিয়ন্ত্রণে স্প্রে বা কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় অসন্তোষ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, বিকেল হলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণ, খেলার মাঠ, বোটানিক্যাল গার্ডেন, শহীদ মিনার প্রাঙ্গণসহ বাঁশেরহাট-সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজের পাশাপাশি অবসর সময়েও অনেক শিক্ষার্থী এসব স্থানে ঘুরতে বের হন। তবে এ সময় মশার উপদ্রবে কোথাও স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব নয় বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ঝোপঝাড়, ড্রেন ও ময়লা ফেলার স্থান নিয়মিত পরিষ্কার না করায় মশার বিস্তার বাড়ছে।
শহীদ নূর হোসেন হলের নিচতলার এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, অতিরিক্ত মশা। বিকেল-সন্ধ্যার কথা বাদ দিলাম, অনেক সময় দিনের বেলাতেও মশারি টাঙিয়ে থাকতে হয়। দ্রুত মশার স্প্রে করলে খুব উপকার হয়।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, মশার স্প্রে করেছে কি না জানি না, আমার চোখে পড়েনি। কিন্তু মশার উপদ্রব অনেক বেশি। হলের নিচতলা থেকে শুরু করে পুরো ক্যাম্পাসে বিকেলবেলা দাঁড়িয়ে থাকা যায় না।
মশা নিয়ন্ত্রণে স্প্রে কার্যক্রম বিষয়ে জানতে চাইলে ডেপুটি চিফ ফার্ম সুপারিনটেনডেন্ট এস. এইচ. এম. গোলাম সরোয়ার বলেন, স্প্রে করার জন্য আমাদের নিজস্ব যন্ত্রপাতি নেই। মেশিনের জন্য পৌরসভার সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। কাল আবার যোগাযোগ করব। আশা করছি, দুই-এক দিনের মধ্যেই স্প্রে করা হবে।