বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে ইরান ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
জেডি ভ্যান্স বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেখিয়ে দিয়েছেন, এ খেলায় দুপক্ষই অংশ নিতে পারে। যদি ইরানিরা অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও এই নীতি মেনে চলবে।’
তিনি বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বেশকিছু অগ্রগতি হয়েছে। বল এখন ইরানের কোর্টে।’
জেডি ভ্যান্স হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানকে নমনীয় হতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের দাবি করা ‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো’ মেনে নিতে হবে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম পাঁচ বছরের জন্য স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে ইরানের ৫ বছরের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এতে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদে আলোচনার সময় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রস্তাব বিনিময় করে। তবে এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ কতদিন হবে, তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচনায় মতপার্থক্য থাকলেও শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর একটি পথ তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ শুরু করেছে।