সৌদি আরবের একটি তেলের খনি লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) এসব ড্রোন ধ্বংস করে দিয়েছে।
এ ছাড়া সৌদিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ছুড়েছে ইরান। এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে সেটিও ধ্বংস করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে সামাজিক মাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শায়েবাহ খনি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা করা হয়েছিল। সেই হামলা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। ছয়টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ধ্বংস করা হয়েছে।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
সূত্র : এএফপি।