বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী রেজাউল করিম বলেছেন, ‘১২ তারিখের জন্য আমরা যখন ব্যালটের প্রস্তুতি নিচ্ছি, তখন আরেকটি দল বুলেটের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। আমরা যখন পরিবেশকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছি, আরেকটি দল নারীদের ওপর হামলা করে লক্ষ্মীপুরকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।’
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে লক্ষ্মীপুর জেলা শহরে গণমিছিল শেষে শহীদ কাউছর হোসেন বিজয় চত্বরে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রেজাউল করিম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কার অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য ভোট কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ করেছেন। আমরা মনে করি, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্যই এই কাজটি করা হয়েছে। অবিলম্বে এই অন্ধকার আইন বাতিল করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের কারণে ১২ তারিখে নির্বাচন হচ্ছে। একটি দল ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন, কিন্তু জুলাই আন্দোলনকে আপন মানেন না। ‘হ্যাঁ’ ভোটের পরিবর্তে ‘না’ ভোটে যারা রায় দিতে চান, তারা শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করছেন। গাদ্দারদেরকে জাতীয়ভাবে পরাজিত করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলেন, এটা ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। বেকার ভাতা হচ্ছে অপমানের। আমরা প্রত্যেক যুবক-তরুণ-নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করব। আমাদেরকে শিশুরা তাদের অর্থ দিয়েছেন। আমাদের নারী বোনেরা রাত-দিন খাটছেন। যুবক ভাইয়েরা তরুণ-তরুণীরা এই ইনসাফের বাংলাদেশ, শহীদ ওসমান হাদির স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।’
এ সময় জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির নজির আহমেদ, জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি ফারুক হোসাইন নুরনবী, সহকারী সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন মাহামুদ, মহসিন কবির স্বপন, লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশান, হারুনুর রশিদ ও লক্ষ্মীপুর শহর শিবির সভাপতি ফরিদ উদ্দিনসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।