বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৩ আসনে ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে গণঅধিকার পরিষদ জাতিসংঘ সংস্থার সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দিল ইসরায়েল বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবিত ২০ গ্রেডের নতুন সরকারি বেতন স্কেল দেখে নিন ইবির দুর্নীতি ও অনিয়মের পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির ৫৯ নেতাকে বহিষ্কার দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ২৩ বছরের কারাদণ্ড নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে সেনাপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে ‘নবম জাতীয় বেতন কমিশন’ প্রতিবেদন পেশ বরিশালে চূড়ান্ত লড়াইয়ে ৩৬ প্রার্থী, পেলেন প্রতীক বরাদ্দ

ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিলে সম্মতি ট্রাম্পের

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬

রাশিয়ার সঙ্গে তেল ও জ্বালানি বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলির বিরুদ্ধে আরও কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার পথে হাঁটছে আমেরিকা। দেশটির রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিলে’ নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন। এই বিল কার্যকর হলে ভারত, চীন, ব্রাজিলের মতো দেশগুলির উপর শুল্ক ও সেকেন্ডারি স্যাংশনের চাপ বহুগুণ বাড়তে পারে।

গ্রাহাম জানান, বুধবার (৭ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। সেখানেই প্রেসিডেন্ট এই প্রস্তাবিত আইনটির প্রতি সমর্থন জানান।

এই ‘গ্রাহাম-ব্লুমেনথাল’ বিল পাশ হলে, রাশিয়ার তেল, গ্যাস বা ইউরেনিয়াম জেনে-শুনে আমদানি করছে – এমন দেশগুলির উপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক ও গৌণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা পাবে মার্কিন প্রশাসন। বিলের মূল উদ্দেশ্য, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের যুদ্ধ অর্থনীতির অর্থের জোগান বন্ধ করা।

এই আইন প্রস্তাবটি যৌথভাবে এনেছেন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ও ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল। সিনেটে ইতিমধ্যেই এই বিলের পক্ষে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সহ-উদ্যোক্তা রয়েছেন। একই সঙ্গে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে সমান্তরাল একটি বিল পেশ করেছেন রিপাবলিকান সাংসদ ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিক।

তবে হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজে প্রেসিডেন্টের জন্য আরও নমনীয়তা রাখার দাবিতে আগে থেকেই কিছু সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছিল প্রশাসন। সেই পরিবর্তনগুলি চূড়ান্ত খসড়ায় আদৌ জায়গা পেয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এই কারণে ভারতের উপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। রাশিয়া থেকে অশোধিত তেল আমদানির জেরে ইতিমধ্যেই ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। ফলে মার্কিন বাজারে ভারতীয় পণ্যের উপর মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির আলোচনাতেও রুশ তেল আমদানি বন্ধ করার শর্ত জোরালোভাবে তুলে ধরছে ওয়াশিংটন।

এ ছাড়াও রাশিয়ার তেল সংস্থা রসনেফ্ট ও লুকঅয়েল-এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে ট্রাম্প প্রশাসন। গত রবিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, ‘ওরা (ভারত) এখনও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করছে। খুব তাড়াতাড়ি ওদের উপর আরও বেশি শুল্ক চাপানো হতে পারে।’

যদিও এই চাপের মুখে নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও উপভোক্তাদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোন উৎস থেকে কতটা সাশ্রয়ে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেটিও বিবেচনায় থাকবে বলে জানিয়েছে ভারত।

উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধ প্রায় চার বছরে পা রাখতে চলেছে। সংঘাতের অবসান ঘটাতে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু করেছে। বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এই শান্তি আলোচনায় আমেরিকার প্রধান প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102