মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গঙ্গামতির সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনের পাশেই তোলা হচ্ছে স্থাপনা ফিল্ড ফায়ারিংয়ে দুই সেনাসদস্য নিহত: স্বজনদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ইনোভেশন ফেয়ারে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সালমান এফ রহমান মিয়ানমারে পাচারের সময় ৭৫০ বস্তা সিমেন্টসহ আটক ৫ পাঁচবিবিতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় বিআরটিসি বাসের চাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহী শুভঙ্করের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক-স্ট্যান্টবাজি, ‘আমরা ভাইরাল’ পর্দায় আসছে কবে? চায়ের দোকানের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কিত ব্যবসায়ী-পথচারীরা

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের ৫৪তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
স্বাধীনতাযুদ্ধের সূর্যসন্তান বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্সনায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৪তম শাহাদাতবার্ষিকী শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর)।
এ উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্সনায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের বসতভিটা সদরের নূর মোহাম্মদ নগরে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, গার্ড অব অনার প্রদান, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ স্মৃতি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার মিলনায়তনে কোরআন খানি, মিলাদ মাহফিল, স্মরণসভা এবং অসহায় ও দুস্থদের মধ্যে মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের সাহসী সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার মহিষখোলা গ্রামে (বর্তমান নাম নূর মোহাম্মদ নগর) জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতা খানম।

নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) যোগদান করেন। ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই যশোর সেক্টরে বদলি হন এবং ল্যান্সনায়েক পদে পদোন্নতি পান।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

 

১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে একটি টহলের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি।

সঙ্গী ছিলেন আরও চারজন সৈন্য। তারা পার্শ্ববর্তী ছুটিপুর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর নজর রাখছিলেন। শত্রুবাহিনী টের পেয়ে তাদের ফাঁদে ফেলার পরিকল্পনা করে। বুঝে উঠতেই নূর মোহাম্মদ সঙ্গীদের নিয়ে হানাদার বাহিনীর ঘাঁটি আক্রমণ করেন। শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। এ সময় পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে সহযোদ্ধা নান্নু মিয়া গুরুতর আহত হলেও তাকে কাঁধে নিয়েই এলএমজি হাতে নিয়ে শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকলে শত্রুপক্ষ পশ্চাদপসরণে বাধ্য হয়। হঠাৎ পাকিস্তানি বাহিনীর একটি মর্টারের গোলা এসে লাগে তার ডান কাঁধে লাগে। মৃত্যু আসন্ন বুঝে তিনি সিপাহী মোস্তফার হাতে এলএমজি দিয়ে তার রাইফেল চেয়ে নেন। আহত নান্নু মিয়াকে নিয়ে সবাইকে চলে যেতে বলেন। তারপর নূর মোহাম্মদ মৃত্যুপথযাত্রী হয়েও ঝাঁপিয়ে পড়েন হানাদারদের ওপর। এখানেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন।

যশোরের শার্শা থানার কাশিপুর গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত হন তিনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102