মালয়েশিয়া থেকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে আনা শুরু করতে যাচ্ছে মিয়ানমার। মালয়েশিয়া বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, তারা একটি স্বেচ্ছাপ্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম পর্যায় চূড়ান্ত করেছে, যার আওতায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী দেশে ফিরবেন। বৃহস্পতিবার রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এর আগে জানিয়েছিলেন, মালয়েশিয়ার স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে মিয়ানমার পাঁচ হাজার জাতিগত রোহিঙ্গা শরণার্থীকে প্রত্যাবাসনে সম্মত হয়েছে।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রত্যাবাসনের প্রথম পর্বটি ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে মিয়ানমার সরকারের চিহ্নিত করা ১ হাজার ৪৭৬ জন মিয়ানমার নাগরিক অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
মন্ত্রণালয় বলেছে, “এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় মিয়ানমার নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ এবং একটি হাসপাতাল জাহাজ ব্যবহার করা হবে।”
মন্ত্রণালয়টি জানায়, চলতি বছর প্রায় ৪ হাজার ৮ জন ব্যক্তিকে, যাদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর, শরণার্থী নিবন্ধন নথি (ডিপিপি) কর্মসূচির আওতায় আনা হবে এবং মিয়ানমার সরকারের সাথে চুক্তি অনুযায়ী আরো পাঁচ হাজার জন স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবেন।
১৫ আগস্ট পর্যন্ত অভিবাসন আটক কেন্দ্রগুলোতে ১০ হাজার ৩৮৮ জন মিয়ানমার নাগরিক ছিলেন, যদিও তাদের সবাইকে শরণার্থী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “অভিবাসন বিভাগ প্রত্যেক আটক ব্যক্তির পরিচয়, জাতীয়তা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার জন্য পুলিশের সাথে কাজ করছে এবং এই প্রক্রিয়াটি বছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিকের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।”