মীরাসোলকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ব্রাজিলিয়ান সিরি ‘আ’-তে দারুণ জয় পেয়েছে ফ্লামেঙ্গো। দলের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন ক্যারাসকাল। ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন পেদ্রো। এছাড়া লুইজ আরাউজো ও স্যামুয়েল লিনোও গোল করে জয়ে অবদান রাখেন। এই জয়ে শীর্ষে থাকা পালমেইরাসের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধানও কমিয়েছে ফ্লামেঙ্গো।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ফ্লামেঙ্গো। শুরুতেই ক্যারাসকালের একটি জোরালো প্রচেষ্টা ঠেকাতে মিরাসোলের গোলরক্ষককে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়। কিছুক্ষণ পর পেদ্রোর দারুণ বিল্ড-আপ ও প্লাতার পাস কাজে লাগিয়ে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ক্যারাসকাল। আক্রমণটির সূচনা করেছিলেন ভ্যারেলা।
ফ্লামেঙ্গোর পাঁচ গোলের চারটিতেই সরাসরি অবদান ছিল ক্যারাসকালের। তার পরপরই জোড়া গোল করে দলের ব্যবধান বাড়ান পেদ্রো। এই দুই গোলের সুবাদে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ভিভেরোসের সঙ্গে সমতায় উঠে আসেন তিনি।
এরপর আয়রটন লুকাসের অ্যাসিস্ট থেকে তৃতীয় গোল পায় ফ্লামেঙ্গো। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তখন পুরোপুরি তাদের হাতে। লিওনার্দো জার্দিমের দল একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে মিরাসোলের রক্ষণকে চাপে রাখে।
প্রায় এক মাস পর মাঠে ফিরেই দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দুর্দান্ত এক শটে গোল করেন লুইজ আরাউজো। তার গোলে ফ্লামেঙ্গোর আক্রমণে আরও গতি আসে। পরে ২৭ মিনিটে মাঠে নামেন আরাসকেতা। বদলি হিসেবে ১৭ মিনিটে নামা স্যামুয়েল লিনোর গোলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
গোলরক্ষক রসি ম্যাচের বেশিরভাগ সময়ই ছিলেন স্বস্তিতে। বিরতির আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করতে হয় তাকে। তবে ম্যাচের শেষ দিকে অরক্ষিত অবস্থায় হেড করে মিরাসোলের হয়ে একটি গোল শোধ করেন জোয়াও ভিক্টর।
মিডফিল্ডে এরিক পুলগার ছিলেন বেশ কার্যকর। চোট কাটিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রথমবারের মতো একাদশে নেমে লুকাস পাকেতাও ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। লিও পেরেইয়া ছিলেন আত্মবিশ্বাসী। তবে দানিলোর খেলায় কিছুটা অস্থিরতা দেখা গেছে। বক্সের মধ্যে আলেসনের সঙ্গে তার একটি ঘটনায় ফাউলের আশঙ্কা থাকলেও সেটি ভিএআরে যাচাই করা হয়নি।
সব মিলিয়ে বড় এই জয় লিবার্তাদোরেসের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ফ্লামেঙ্গোকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেবে। একই সঙ্গে শীর্ষে থাকা পালমেইরাসের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমিয়ে শিরোপার লড়াই আরও জমিয়ে তুলেছে দলটি।