বিবৃতিতে ফিফা বলেছে, গণমাধ্যমের কিছু বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনের কারণে তাদের পূর্বনির্ধারিত আলোচনা প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে। তবে সদস্য সংস্থাগুলো যাতে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে মতামত দিতে পারে, সে লক্ষ্যেই আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে।
ফিফার ভাষ্য, ‘গণমাধ্যমের কিছু ভুল প্রতিবেদনের কারণে আমাদের পূর্বপরিকল্পিত আলোচনা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তবে তথ্য ও সত্যের ভিত্তিতে প্রতিটি সদস্য অ্যাসোসিয়েশন যেন তাদের মতামত বা ভোট দিতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই আমরা এ আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাব।’
সংস্থাটি আরও জানায়, ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য ফিফার সম্পদ বিক্রি করা নয়; বরং সদস্য দেশগুলোকে নিজ নিজ দেশে ফুটবলের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থেকে আরও বেশি সুবিধা এনে দেওয়া।
এ বিষয়ে ফিফা স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, ‘কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না। এটি এমন কোনো বিষয় নয়, যা ফিফা কখনো বিবেচনা করবে।’
প্রস্তাব অনুযায়ী, ফিফার বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং মাঠপর্যায়ের আয়োজন একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তবে সেই প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে ফিফার মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে যে অতিরিক্ত বাণিজ্যিক আয় হবে, তা ২১১টি সদস্য সংস্থার মধ্যে বণ্টন করা হবে, যাতে তারা নিজ নিজ দেশে ফুটবলের উন্নয়নে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে পারে।
এফএফই পরিকল্পনার আওতায় ২০২৭ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চার বছরে প্রতিটি সদস্য সংস্থাকে ‘ফিফা ফরোয়ার্ড ডেভেলপমেন্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে ২ কোটি মার্কিন ডলার করে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। কোনো সদস্য সংস্থা পরিকল্পনাটিকে সমর্থন করুক বা না-করুক, এই অর্থায়ন পাওয়ার বিষয়টি অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে ফিফা।
বিবৃতির শেষাংশে ফিফা আবারও দাবি করেছে, এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য কেবল সদস্য দেশগুলোকে ফুটবলের বড় বাণিজ্যিক সুযোগের অংশীদার করা। এতে ফিফার স্বাধীনতা, পরিচালন কাঠামো কিংবা ফুটবলের মৌলিক চেতনার কোনো পরিবর্তন হবে না বলেও জোর দিয়েছে সংস্থাটি।’