যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা না হলেও অব্যাহত রয়েছে দুই পক্ষের যোগাযোগ। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তা এবং মধ্যস্থতাকারী একটি দেশের এক কূটনীতিকের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এপি।
কর্মকর্তারা বলছেন, দুই পক্ষই আলোচনা আবার শুরু করার ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। তবে বৈঠকের স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি।তবে বৈঠকের জন্য আবারও পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের কথা ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি সুইজারল্যান্ডের জেনেভাও একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, ইসলামাবাদ বৈঠকের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। পাকিস্তান এক্ষেত্রে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তার আদান-প্রদান করছে।
এদিকে, বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে ইরান ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
জেডি ভ্যান্স বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেখিয়ে দিয়েছেন, এ খেলায় দুপক্ষই অংশ নিতে পারে। যদি ইরানিরা অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও এই নীতি মেনে চলবে।’
তিনি বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বেশকিছু অগ্রগতি হয়েছে। বল এখন ইরানের কোর্টে।’
জেডি ভ্যান্স হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানকে নমনীয় হতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের দাবি করা ‘গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো’ মেনে নিতে হবে।