ইরানকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু তার ‘আলটিমেটাম’ মেনে নিতে ইরান প্রস্তুত—এমন কোনো ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।
বিবিসির উত্তর আমেরিকা সংবাদদাতা অ্যান্থনি জার্কার তার বিশ্লেষণে লিখেছেন, এ অবস্থায় ট্রাম্প একটি জটিল পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। ট্রাম্প এখন কী করতে পারেন, সে বিষয়ে তার সম্ভাব্য কিছু বিকল্প সামনে এনেছেন অ্যান্থনি জার্কার। তিনি তার বিশ্লেষণে লিখেছেন, যদি কোনো চুক্তি না হয়, তবে ট্রাম্প তার দেওয়া সময়সীমা আবার বাড়াতে পারেন।
তবে ইরানকে এত কঠোর ভাষায় হুমকি দেওয়ার পর এখন যদি ট্রাম্প পিছু হটেন, তাহলে তার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, বিশেষ করে যখন যুদ্ধ চলমান।
ট্রাম্পের সামনে অন্য বিকল্প হলো, তার হুমকি বাস্তবায়ন করা। তবে সোমবার (৬ এপ্রিল) ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেন, তিনি এমন পথে যেতে চান না।
ট্রাম্প এমনও দাবি করেছেন, ইরানি জনগণ চলমান মার্কিন অভিযান সহ্য করতে প্রস্তুত। কেউ কেউ এমনকি নিজেদের শহরে বোমা হামলাকে স্বাগত জানাচ্ছেন।
তবে ট্রাম্প স্বীকার করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন যা ধ্বংস করবে, পরে তা পুনর্নির্মাণ করতে হবে। আর সেই পুনর্গঠনের কাজেও শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রেরই অংশ নিতে হতে পারে।
ইরানকে উদ্দেশ করে হুমকি দিয়ে ট্রাম্প গত রোববার বলেন, মঙ্গলবার হবে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস’, ‘সেতু দিবস’। সময়সীমা হিসেবে ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, ‘মঙ্গলবার, রাত ৮টা’ (যুক্তরাষ্ট্রের সময়)।
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তেহরান হরমুজ প্রণালি খুলতে কোনো চুক্তিতে উপনীত হতে ব্যর্থ হলে ইরানকে ‘এক রাতেই’ নিশ্চিহ্ন করার হুমকি সোমবার দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আর সেই রাতটি হতে পারে মঙ্গলবার রাত।