মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গঙ্গামতির সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনের পাশেই তোলা হচ্ছে স্থাপনা ফিল্ড ফায়ারিংয়ে দুই সেনাসদস্য নিহত: স্বজনদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ইনোভেশন ফেয়ারে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সালমান এফ রহমান মিয়ানমারে পাচারের সময় ৭৫০ বস্তা সিমেন্টসহ আটক ৫ পাঁচবিবিতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় বিআরটিসি বাসের চাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহী শুভঙ্করের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক-স্ট্যান্টবাজি, ‘আমরা ভাইরাল’ পর্দায় আসছে কবে? চায়ের দোকানের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কিত ব্যবসায়ী-পথচারীরা

ট্রাম্পের শুল্ক জালে মোদি, ভারতের অর্ডার ঢুকছে ঢাকায়

আলোকিত স্বপ্নের বিডি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্কের প্রভাবে ভারতের তৈরি পোশাক খাত বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। মার্কিন বাজারের বড় ব্র্যান্ডগুলো অর্ডার স্থগিত বা সরিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশে, যেখানে শুল্কহার অনেক কম।

ভারতের নিটওয়্যার উৎপাদনের কেন্দ্র তামিলনাড়ুর তিরুপ্পুরে ইতোমধ্যেই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় রপ্তানিকারকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো বহু নিয়মিত চালান এখন পাকিস্তান বা অন্যান্য দেশে চলে যাচ্ছে। অনেক ক্রেতা গ্রীষ্মকালীন অর্ডারও স্থগিত করছেন।

দেশটির বিশ্লেষকদের মতে, শুল্ক ও জরিমানা মিলিয়ে কিছু নিটওয়্যার পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রে কার্যকর শুল্কহার ৬৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ভারতীয় পণ্যের দাম প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি করছে। ফলে মার্কিন অর্ডার ৪০-৫০ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতি ভারতের শ্রমবাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে। তিরুপ্পুর, কোয়েম্বাটুর ও কারু মিলিয়ে সাড়ে ১২ লাখেরও বেশি শ্রমিক কাজ করেন টেক্সটাইল খাতে। রপ্তানি ১০-২০ শতাংশ কমে গেলে কয়েক লাখ মানুষের চাকরি ঝুঁকিতে পড়বে।

তিরুপ্পুর এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কে এম সুব্রাহ্মনিয়ান বলেন, ‘আমাদের মুনাফা মাত্র ৫-৭ শতাংশ। এত বড় শুল্কভার ভাগাভাগি করা সম্ভব নয়।’

তিনি তুলা আমদানির ওপর ১১ শতাংশ শুল্ক ও কৃত্রিম তন্তুর জিএসটি কমানোর দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে বাংলাদেশে শুল্কহার ৩৫-৩৬ শতাংশ, পাকিস্তানে ১৯ শতাংশ, ভিয়েতনামে ২০-২১ শতাংশ—যা ভারতের তুলনায় অনেক কম। ফলে সস্তা বিকল্পের দিকে মার্কিন ক্রেতারা ঝুঁকছেন।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করছেন, জরুরি পদক্ষেপ না নিলে ভারত স্থায়ীভাবে মার্কিন বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
  • © All rights reserved © 2019 alokitoswapner-bd.com - It is illegal to use this website without permission.
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102